জুনিয়র বৃত্তি কোচিং

  • চর্চা মানুষকে দক্ষ করে – এই মূল মন্ত্রকে ধারণ করে সান-ডায়াল কোর্স পরিচালনা করে। স্কুলের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার পর জুনিয়র বৃত্তি পরীর্ক্ষাথীদের নিয়ে আলাদা স্পেশাল ব্যাচ করা হয়। যেখানে ক্লাস ও পরীক্ষা ব্যাচ এবং শুধু পরীক্ষা ব্যাচ এর ব্যবস্থা থাকবে। যারা বৃত্তির জন্য মনোনীত হয় তাদের নিয়ে বৃত্তির পাশাপাশি বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতিও এই সাথে চালু থাকে।
  • জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসের সঙ্গে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও পড়ানো হবে। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ পাবে তাদেরকে এই বৃত্তি ব্যাচে পড়তে হবে।
  • প্রতি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে বা শিক্ষার্থীদেরকে তাৎক্ষণিক পুরস্কার দেয়া হয়
  • প্রতি ব্যাচে মাসিক রেজাল্ট দেয়া হয় এবং মেধাবীদের মধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকাারকে পুরস্কার দেয়া হয়।
  • বৃত্তি পরীক্ষার আগে সান-ডায়াল থেকে ফাইনাল মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং সেই মডেল টেস্ট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর (৯৫%) প্রাপ্ত হলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে তার বেতন ফ্রি হবে। একইভাবে ৯০% নম্বর প্রাপ্ত হলে বেতন অর্ধেক হবে এবং ৮৫-৮৯% এর মধ্যে নম্বর থাকলে তাদের বেতন থেকে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা করে ছাড় দেওয়া হবে।
  • বৃত্তি পরীক্ষার আগেই বৃত্তিঃ ফাইনাল মডেল টেস্ট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৫% ছাত্র-ছাত্রীকে ১ বছরের জন্য সন-ডায়াল মাসিক ৫০০/- (পাঁচশত) টাকার বৃত্তি দেবে। এই বৃত্তির জন্য বৃত্তি কার্ড দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীকে ফাইনাল মডেল টেস্টে ৯৫% নম্বর পেতে হবে।
  • প্রতি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে বা শিক্ষার্থীদেরকে তাৎক্ষণিক পুরস্কার দেয়া হয়
  • প্রতি ব্যাচে মাসিক রেজাল্ট দেয়া হয় এবং মেধাবীদের মধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারকে পুরস্কার দেয়া হয়।
  • প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষার্থী বা অভিভাবক সর্বদা ব্যাচ ডিরেক্টরের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
  • যে কোন সমস্যা হলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট ব্যাচ ডিরেক্টকে জানাতে হবে।
×