প্রাথমিক বৃত্তি কোচিং

  • চর্চা মানুষকে দক্ষ করে – এই মূল মন্ত্রকে ধারণ করে সান-ডায়াল কোর্স পরিচালনা করে। স্কুলের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার পর মূলত প্রাথমিক বৃত্তি কোচিং শুরু করা হবে। কারণ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা আগে দিতে হবে এবং পরীক্ষার রেজাল্টের ওপর কারা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে তা নির্ধারণ হবে।
    প্রাথমিক বৃত্তি শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ৪ দিন কোচিং করানো হয়। প্রতি কার্যদিবসে দুটি পিরিয়ড থাকবে। এর সাথে আরও একটি সমাধান বা খাতা ফেরতের পিরিয়ড থাকবে। যেদিন খাতা ফেরত বা সমাধান ক্লাস থাকবে, সেদিন ২ ঘন্টার মধ্যে ৩টি পিরিয়ড থাকবে। সপ্তাহে ২টা বা ৩ টা ১ ঘন্টার পরীক্ষা থাকবে। বাকী ১ ঘন্টার ১টি বিষয়ের উপর ক্লাস হবে। ক্লাসে প্রয়োজনীয় সিট দেয়া হবে। যে কোন বিষয়ের রুটিনে উল্লেখিত অধ্যায়ের উপর ১ বা ২ দিন ক্লাস নেয়া হবে। কোন কোন বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক ৩টা বা ৪টা ক্লাস নেয়া হবে। গণিত, ইংরেজি বা বিজ্ঞানের উপর বেশি বেশি ক্লাস নেয়া হবে। তারপর যে অধ্যায়ের ক্লাস নেয়া হলো তার উপর পরের দিন ১ ঘন্টার পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষার খাতা পরীক্ষণ করে রুটিনে উল্লেখিত তারিখে শিক্ষার্থীর কাছে ফেরত দেয়া হবে এবং ক্লাসে ঐ ফেরত দেয়া খাতার সমাধান দেয়া হবে। বাসায় খাতা নিয়ে গেলে অভিভাবকগণ সে খাতা দেখবেন। প্রয়োজনে শিক্ষার্থী বা অভিভাবক খাতার বিষয়ে ব্যাচ ডিরেক্টরের সাথে আলোচনা করতে পারবেন, যেন শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন ঘটে।
  • সান-ডায়ালে আগে পাঠ্য বই পড়ানো হয়-শেখানো হয়-বোঝানো হয়। তারপর পরীক্ষা নেয়া হয়। এরপর সমাধান ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে আরও দক্ষ করা হয়। পরীক্ষার সহায়ক হিসাবে অধ্যায়ের উপর সিট দেয়া হয়।
  • প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসের সঙ্গে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও পড়ানো হবে। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ পাবে তাদেরকে এই বৃত্তি ব্যাচে পড়তে হবে।
  • প্রতি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে বা শিক্ষার্থীদেরকে তাৎক্ষণিক পুরস্কার দেয়া হয়
  • প্রতি ব্যাচে মাসিক রেজাল্ট দেয়া হয় এবং মেধাবীদের মধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকাারকে পুরস্কার দেয়া হয়।
  • বৃত্তি পরীক্ষার আগে সান-ডায়াল থেকে ফাইনাল মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং সেই মডেল টেস্ট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর (৯৫%) প্রাপ্ত হলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে তার বেতন ফ্রি হবে। একইভাবে ৯০% নম্বর প্রাপ্ত হলে বেতন অর্ধেক হবে এবং ৮৫-৮৯% এর মধ্যে নম্বর থাকলে তাদের বেতন থেকে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা করে ছাড় দেওয়া হবে।
  • বৃত্তি পরীক্ষার আগেই বৃত্তিঃ ফাইনাল মডেল টেস্ট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৫% ছাত্র-ছাত্রীকে ১ বছরের জন্য সন-ডায়াল মাসিক ৫০০/- (পাঁচশত) টাকার বৃত্তি দেবে। এই বৃত্তির জন্য বৃত্তি কার্ড দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীকে ফাইনাল মডেল টেস্টে ৯৫% নম্বর পেতে হবে।
  • প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষার্থী বা অভিভাবক সর্বদা ব্যাচ ডিরেক্টরের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
  • যে কোন সমস্যা হলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট ব্যাচ ডিরেক্টকে জানাতে হবে।
×